Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

** নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন **  বিজ্ঞপ্তিঃ  বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান চলছে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন এড়াতে সকল  বিদ্যুৎ বিল মোবাইল, টেলিটক, বিকাশ, ব্যাংক এবং অফিসের ক্যাশ শাখায় পরিশোধ করে পরিশোধিত বিদ্যুৎ বিলের কপি সংযোগ স্থলে রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। *** আরও উল্লেখ্য যে, আপনার ট্রান্সফরমার এবং মিটার চুরি রোধে পাহারা প্রদান করার জন্যও অনুরোধ করা হলো। ***

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(বিডা) এর ওয়ান স্টপ সার্ভিস লিংকঃ https://bidaquickserv.org/




শিরোনাম
a2i এর আওতায় বিদ্যুৎ সংযোগ সহজীকরণ (স্পট মিটারিং)
বিস্তারিত

a2i এর আওতায় বিদ্যুৎ সংযোগ সহজীকরণ

(স্পট মিটারিং)

 

উদ্দেশ্যঃ

 

গাইবান্ধা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি একটি এলাকা ভিত্তিক জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গৃহীত রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অত্র প্রতিষ্ঠান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় গরীব জনগণকে দোড়গোড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করা হয়। দীর্ঘ দিনের বিদ্যুৎ সুবিধা বঞ্চিত পল্লী এলাকার  জনগণ সল্প সময়ে ভোগান্তি বিহীন ও দালাল মুক্ত পরিবেশে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করাই অত্র প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। জনগণের স্বতঃফুর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে এ ধরণের কার্যক্রম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তথা সরকারের ভাবমূর্তি আরও উজ্জল করেছে। 

স্পট মিটারিংঃ

স্পট মিটারিং এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জেনারেল ম্যানেজারের উপস্থিতে অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশিস্নষ্ট কর্মচারীগণের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রত্যাশী গ্রাহকের নিকট হতে আবেদন গ্রহণ, সমীক্ষা সম্পাদন, ওয়্যারিং পরিদর্শন, জামানত গ্রহণ, সিএমও সম্পাদন এবং মিটার স্থাপন পূর্বক গ্রাহক প্রান্তে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। অর্থাৎ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের সকল দাপ্তরিক প্রক্রিয়া স্পটেই সম্পন্ন করে নূন্যতম সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, বর্তমান প্রচলিত নিয়ম-কানুন অনুসরন পূর্বক বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২১ দিন সময়ের প্রয়োজন হলেও কোন কোন ক্ষেত্রে তা ৩ থেকে ৬ মাস সময় লাগতো। অপর দিকে স্পট মিটারিং এর ফলে গ্রাহক নূন্যতম সময়ে অর্থাৎ ৩ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যেই বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে থাকেন। এতে সংযোগ প্রত্যাশী গ্রাহকগণ কর্ম ঘন্টা, অর্থ ও যাতায়াত ব্যয় সাশ্রয় সহ ভোগান্তি ও দূর্নীতি মুক্ত বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে থাকেন। 

স্পট মিটারিং এর ফলে অর্থ সাশ্রয়ের পরিমাণঃ

স্পট মিটারিং এর মাধ্যমে সংযোগ প্রাপ্ত গ্রাহকের সংখ্যা ৬১৩৫ জন (মার্চ/২০১৮খ্রিঃ) বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য গ্রাহক প্রতি সম্ভাব্য ব্যয় ৭৪২০ টাকা। সর্বমোট ব্যয়ের পরিমান ৭৪২০*৬১৩৫=৪,৫৫,২১,৭০০ টাকা কিন্তু স্পট মিটারিং এর মাধ্যমে গ্রাহক প্রতি ব্যয় ৪৫০ টাকা । সর্বমোট ব্যয়ের পরিমান ৪৫০*৬১৩৫=২৭,৬০,৭৫০ টাকা অর্থাৎ স্পট মিটারিং এর মাধ্যমে সংযোগ গ্রহনকারী গ্রাহকের অর্থ সাশ্রয় ৪,২৭,৬০,৯৫০ টাকা।

পরিকল্পনা অনুয়ায়ী প্রতি অর্থ বছরে পবিস কর্তৃক স্পট মিটারিং এর লক্ষ্যমাত্রা (প্রতিমাস ৩০০জন) অর্জিত হলে অর্থ সাশ্রয় হবে  (৩৬০০*৭৪২০=২,৬৭,১২,০০০) - (৩৬০০*৪৫০=১৬,২০,০০০)=২,৫০,৯২,০০০ টাকা

স্পট মিটারিং এর বিষয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ

জুলাই/১৭খ্রিঃ হতে জুন/১৮খ্রিঃ পর্যন্ত অত্র পবিসের আওতাধীন উপজেলা সমূহে প্রতিমাসে স্পট মিটারিং এর মাধ্যমে ৩০০জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে করে গ্রাহকগণ ভোগান্তি বিহীন ও দূর্নীতি মুক্ত পরিবেশে বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহন করতে পারবেন।

স্পট মিটারিং এর বাস্তবায়নঃ

ক্রঃ নং

স্পট মিটারিং এর মাধ্যমে সংযোগ প্রদানের সংখ্যা

মন্তব্য

১.

২০১৫-১৬ অর্থ বছর : ১২/০৪/২০১৬খ্রিঃ হতে ২২/০৬/২০১৬খ্রিঃ পর্যন্ত স্পট মিটারিং এ মোট ২২৮জন গ্রাহকে সংযোগ প্রদান করা হয়।

গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা এবং ফুলছড়ি উপজেলায় এই কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।

২.

২০১৬-১৭ অর্থ বছর : ২৪/০৭/২০১৬খ্রিঃ হতে ৩১/১২/২০১৭খ্রিঃ পর্যন্ত স্পট মিটারিং এ মোট ৫,০১৩জন গ্রাহকে সংযোগ প্রদান করা হয়।

৩.

২০১৭-১৮ অর্থ বছর : ১৭/০১/২০১৮খ্রিঃ হতে ২১/০৩/২০১৮খ্রিঃ পর্যন্ত স্পট মিটারিং এ মোট ৮৯৪জন গ্রাহকে সংযোগ প্রদান করা হয়।

 

প্রতিবন্ধকতাঃ

 

  • শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে কখনও কখনও মিটার, সার্ভিস ড্রপ তার ও ট্রান্সফর্মার চাহিদা অনুপাতে সরবরাহ পাওয়া যায় না।
  • স্পট মিটারিং কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত  মিটার, সার্ভিস ড্রপ তার ও ট্রান্সফর্মার বরাদ্দ  সাপেক্ষে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় ছাড়ায় বর্তমান জনবল দ্বারা এ কার্যক্রম  অব্যাহত রাখা সম্ভব।
  • এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দূর্নীতি প্রতিরোধ করা, সাধারণ জনগণের কর্মঘন্টা সাশ্রয় এবং স্বল্প সময়ে গ্রাহকের দ্বারপ্রান্তে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া সম্ভব।

গাইবান্ধা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্পট মিটারিং এর বিষয়টি জেলা ইনোভেশন সভায় গুরম্নত্বের সাথে আলোচনা করা হয় এবং জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্তৃক স্পট মিটারিং এর বিষয়টি প্রসংশিত হয়। পরবর্তী পর্যায়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন কর্তৃক অত্র সমিতির জেনারেল ম্যানেজারকে শ্রেষ্ঠ ইনোভেশন বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা স্বীকৃতি স্মারক প্রদান করা হয়।

উপসংহার ঃ

 সংযোগ সহজীকরণের বিষয়ে জেলার গ্রাহক পর্যায়ে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে। সম্মানিত গ্রাহক ও জেলার সরকারী বেসরকারী সকল পর্যায় হতে স্পট মিটারিং কার্যক্রম ভূয়সী প্রসংশা করা হয়েছে। এতদ্‌ প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় মালামালের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে এই কার্যক্রম অব্যাহৃত রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা একান্তকাম্য।